সকল কৃষির নেতৃত্বে

নিরাপদ কৃষিকাজে ১৯৭৫ সাল থেকে

about
যথাযথ কৃষিকাজ

যথাযথ কৃষিকাজের বর্ণনা............

about
বীজ

বীজের বর্ণনা............

about
সার

সারের বর্ণনা............

about
কীটনাশক

কীটনাশকের বর্ণনা...........

about
কৃষি যন্ত্রপাতি

কৃষি যন্ত্রপাতির বর্ণনা......

about
কৃষি বিশেষজ্ঞ

কৃষি বিশেষজ্ঞের বর্ণনা.....

অগ্রহায়ণ মাসের সেরা ফসল

আমরাই দিচ্ছি সেরা সমাধান

আমরাই দিচ্ছি সেরা সমাধান বর্ণনা......

  • ধান
    ধান
  • মটরশুটি
    মটরশুটি
  • সরিষা
    সরিষা
  • আলু
    আলু
  • বোরো ধান উৎপাদনে, শুরুতেই আপনার কাঙ্খিত জাতের গুণগতমানের বীজ সংগ্রহ করে নিন। আগাম জাতের মধ্যে ব্রি ধান২৮, ব্রি ধান৬৭, ব্রি ধান৭৪, ব্রি ধান৮১, ব্রি ধান৮৪ এবং ব্রি ধান৮৮ এর বীজ সংগ্রহ করতে পারেন। দীর্ঘ মেয়াদী জাতের মধ্যে ব্রি ধান২৯, ব্রি ধান৫৮, ব্রি ধান৬৯, ব্রি ধান৮৯ এর বীজ সংগ্রহ করতে পারেন। চিটা ও শৈত্য প্রবাহের তীব্রতা থেকে রেহাই পেতে দীর্ঘমেয়াদি জাতসমূহের বীজতলা ০১ নভেম্বর থেকে ০৭ নভেম্বর এবং স্বল্পমেয়াদি জাতগুলো ১৫ নভেম্বর হতে ২১ নভেম্বরের মধ্যে বীজতলা তৈরি করতে হবে। বোরো ধানের চারার বয়স ৩৫-৪৫ দিনের মধ্যেই রোপণ করতে হবে।

    ডাল হলো গরিবের আমিষ। আমিষের ঘাটতি পূরণ করতে হলে ডাল ফসল চাষে বিশেষ গুরুত্ব দিতে হবে। মসুর, মুগ, মাসকলাই, মটর আড়হর, সয়াবিন, খেসারি, ছোলাসহ অন্যান্য ডাল জাতীয় ফসল এ সময় চাষ করতে পারনে। এজন্য উপযুক্ত জাত নির্বাচন, সময়মতো বীজ বপন, সুষম মাত্রায় সার প্রয়োগ পরিচর্যা সেচ, বালাই ব্যবস্থাপনা সম্পন্ন করতে হবে। এমাসে পেঁয়াজ, রসুন, মরিচ, ধনিয়া চাষ করা যায়। সব ফসলের বেলায় আধুনিক প্রযুক্তি অনুসরণ করা উচিত। মনে রাখতে হবে এ মৌসুমে পানির অভাব হয়। তাই বেশি ফলন পেতে হলে জমিতে পানি সেচ দিতে হবে।

    কার্তিক মাস সরিষা চাষেরও উপযুক্ত সময়। সরিষার প্রচলিত জাত গুলির মধ্যে টরি-৭, রাই-৫, বারি সরিষা-৬, বারি সরিষা-৭, বারি সরিষা-৮, বারি সরিষা ১১, বারি সরিষা ১৪, বারি সরিষা ১৫, বিনা সরিষা ৯ এসব জাতগুলি উল্লেখযোগ্য। প্রতি বিঘা জমিতে ১-১.৫ কেজি সরিষা বীজের প্রয়োজন হয়। তবে জাত ভেদে কিছুটা তারতম্য হয়ে থাকে।

    কার্তিক মাসের প্রথম থেকেই আলুর জমি তৈরি, সার প্রয়োগ এবং বীজ বপন শুরূ করতে হবে। বেলে দো-আঁশ মাটি আলু চাষের জন্য বেশি উপযোগী। ফলন বেশি পাওয়ার জন্য ভালো বীজ আলু ব্যবহার করতে হবে। ভালো জাতগুলো হলো- হীরা, ক্লিওপেট্রা, প্যাট্রোনিজ, গ্রানোলা, বিনেলা, ডায়মন্ড, কার্ডিনাল, বারি আলু ১৩, ১৯ ৭০, ৭৬, ৭৯ এসব।  প্রতি বিঘা জমিতে ২০০-২৬৬ কেজি আলু বীজের প্রয়োজন হয়। বীজ আলু বড় হলে কেটে টুকরা করে নিতে হবে। তবে খেয়াল রাখতে হবে যাতে প্রতিটি টুকরায় যেন ৩-৪ টি চোখ বা কুঁড়ি থাকে। বীজ বপনের জন্য সারি থেকে সারির দূরত্ব হবে ৫০-৬০ সে.মি. এবং সারিতে বীজের দূরত্ব হবে ২০-২৫ সে.মি.। ৫-৭ সে.মি. গভীরে বীজ বপন করতে হবে।

    সাফল্যের গল্প

    ২০০০+ মানুষ কাজ করছে ১৯৭৫ সাল থেকে

    সফলতার গল্প বর্ণনা.........